আমাদের শিক্ষাঙ্গনের গৌরবময় অধ্যায়
ভূতরূপ সিন্ধুজলে গড়ায়ে পড়িল বৎসর/কালের ঢেউ, ঢেউ-এর গমনে দেখতে দেখতে এসে গেল আরেকটা নতুন বছর ২০২৬। আজ থেকে ৬১ বছর আগে ১৯৬৫ সালের ১লা জানুয়ারি সোনারপুর বিদ্যাপীঠের পথ চলা শুরু। যদিও এর বীজ রোপিত হয়েছিল ১৯৬৫ সালের ২৯ শে আগষ্ট। প্রথম বছরে ছাত্র সংখ্যা ৮০। এই অঞ্চলে এই নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তার পঠনপাঠনের গুণে দ্রুত পরিচিতি পেতে থাকে।
প্রথম পর্যায়ে ১.১.১৯৬৭ সালে বিদ্যালয় পঞ্চম ও ষষ্ঠ এই দুই শ্রেণি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ কর্তৃক জুনিয়র হাইস্কুলের অনুমোদন লাভ করে। দীর্ঘ লাগাতার প্রচেষ্টায় সুকৃতি প্রতিষ্ঠানটিকে উন্নীত করে দশ ক্লাস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১.১.১৯৮৭ তারিখে পায় হাইস্কুলের স্বীকৃতি।
১৯৭৬ সালে রাজ্যে নবপর্যায়ের উচ্চ-মাধ্যমিক শিক্ষাক্রম চালু হয়। এই বিদ্যালয় কিছু দেরিতে হলেও ১.১.১৯৯৯ তারিখে স্বীকৃতি লাভ করে সহ-শিক্ষামূলক উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের। আর একটি বিশেষ স্বীকৃতি লাভ করে ২৬শে মে ২০১০ তারিখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিক্ষাদপ্তর বিদ্যালয়কে অনুমতি দেয় উচ্চমাধ্যমিকে ইংরাজী মাধ্যম বিজ্ঞান শাখা খোলার। ১.৭.২০১০ তারিখ থেকে শুরু হয় ইংরাজী মাধ্যম বিজ্ঞান শাখার পঠন-পাঠন।
দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার বারুইপুর মহকুমার সোনারপুর থানার রাজপুর-সোনারপুর পৌরসভার ১৩ নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত ঐতিহ্যমণ্ডিত একটি বিদ্যালয় হলো সোনারপুর বিদ্যাপীঠ। ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান অনুযায়ী সাধারণ বিভাগে (মাধ্যমিক পর্যন্ত) ক্লাস ইউনিটের সংখ্যা ২২ এবং ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ১৭৮৯ জন, উচ্চ-মাধ্যমিক বিভাগে ক্লাস ইউনিটের সংখ্যা ৮ এবং ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৫৮৮ জন। উচ্চ-মাধ্যমিক কলা বিভাগে শিক্ষাতত্ত্ব, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন, ইতিহাস, ভূগোল, সংস্কৃত, নিউট্রিশান, মিউজিক, মডার্ণ কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন প্রভৃতি বিষয়ে পড়ার সুযোগ রয়েছে। উচ্চ-মাধ্যমিক বিভাগে ২০০৫-০৬ শিক্ষাবর্ষে বাণিজ্য শাখা খোলার অনুমোদন পাওয়া গিয়েছে। বাণিজ্য নির্ভর বিষয় হিসাবে ছাত্র-ছাত্রীরা এখন হিসাবশাস্ত্র, কারবার সমীক্ষা, অর্থবিদ্যা, কারবারী আইন ও নিরীক্ষার প্রাথমিক পাঠ, পরিব্যয় হিসাব ও আয়কর, গণিত ও মডার্ণ কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বিষয়গুচ্ছ নিয়ে পড়তে পারছে। ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষে উচ্চমাধ্যমিকে বিজ্ঞান শাখা খোলার অনুমতি পাওয়া গিয়েছে। রসায়ন, পদার্থ বিদ্যা ও জীববিদ্যার নতুন প্রবর্তিত সিলেবাস অনুযায়ী ল্যাবগুলিকে সাজানোও সম্পূর্ণ হয়েছে। বিজ্ঞানের ছাত্র-ছাত্রীরা রসায়ন, পদার্থবিদ্যা ও জীববিদ্যা বিষয়গুলির পরীক্ষা-নিরীক্ষা হাতে কলমে এই ল্যাব থেকে সম্পূর্ণতার সাথে শিখতে পারছে ও ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই ছাত্র-ছাত্রীরা বিজ্ঞান শাখায় রসায়ন, পদার্থবিদ্যা, গণিত, জীববিদ্যা ও কম্পিউটার বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে পারছে।
বিদ্যালয়কে যুগোপযোগী করে তোলার উদ্দেশ্যে Broadband-এর সংযোগসাধন করা হয়েছে। ফলে বিজ্ঞানের ছাত্র-ছাত্রীরা Computer শিক্ষার ক্ষেত্রে Internet ব্যবহার করার সুযোগ পাচ্ছে।
বিদ্যালয়ের চলার পথ কুসুমাস্তীর্ণ নয়, রয়েছে হাজারো সমস্যার ভিড়। তবে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী, সচেতন অভিভাবক/অভিভাবিকাবৃন্দ, এলাকার শুভানুধ্যায়ী ব্যক্তিবর্গ, পরিচালন সমিতির সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতা, সর্বোপরি বিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতির নিরলস প্রয়াস ও কর্মস্পৃহা সব রকমের বাধার পাহাড় ডিঙিয়ে নতুন দিশার সন্ধান দিয়ে চলেছে।
সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার উদ্দেশ্যে বিদ্যালয়ের শিক্ষণ পদ্ধতি (Teaching method) ও পরিচালনাকে যতটা সম্ভব বিজ্ঞান সম্মত করার ঐকান্তিক চেষ্টা করে চলেছি। এই লক্ষ্যে প্রজেক্টার, জায়ান্ট স্ক্রিনেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। শ্রেণিকক্ষগুলিকে নবরূপে সজ্জিত করার চিন্তাভাবনা চলছে। বিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরিগুলিকে আধুনিক যন্ত্রপাতিতে সুসজ্জিত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক উৎকর্ষসাধনের জন্য আছে বিভিন্ন ধরণের খেলাধূলা, মাল্টিজিম, সংস্কৃতিচর্চার বিস্তৃত পরিসর। বিদ্যালয়ের দেওয়াল পত্রিকা 'মুকুল' ছাত্র-ছাত্রীদের সৃজনশীল প্রতিভাকে প্রস্ফুটিত করার কাজে হার্দিকভাবে নিয়োজিত।
মানবজীবনে শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতা একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিদ্যালয় পরিবেশের ক্ষেত্রেও কথাটি সমানভাবে প্রযোজ্য। সেই লক্ষ্যে আমরা সদা সচেষ্ট। ২০২০ শিক্ষাবর্ষ থেকে কোন ছাত্র-ছাত্রী যাতে বিদ্যালয় নির্দিষ্ট আচরণবিধি ভঙ্গ না করতে পারে তার জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে ৬৪টি শব্দ সহযোগী অত্যাধুনিক C.C. Camera বসানো হয়েছে। Solar system এর মাধ্যমে বিদ্যালয় কক্ষগুলিতে নির্বিঘ্নে পাঠ-দানেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয়ের সমস্ত কার্যকলাপকে আরো বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে Social Platform হিসেবে ইউটিউব চ্যানেল 'SONARPUR VIDYAPITH OFFICIAL YOUTUBE CHANNEL' খোলা হয়েছে। এই শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদেরও Bio-Matric attendence এর বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের দাবি মেনে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকেই অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধাসহ শীততাপ নিয়ন্ত্রিত একটি অডিটোরিয়াম চালু করা হয়েছে। সেটির দ্বারোদ্ঘাটন করেন দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার জেলাশাসক মাননীয় শ্রী সুমিত গুপ্ত মহাশয়।
আসলে, শিক্ষক হিসেবে আমাদেরও যে দায়বদ্ধতা রয়েছে, সেই দায়িত্বকে আমরা যথাযথভাবে পালন করে চলেছি। অবশ্য সেই দায়িত্ব পালনে আমরা কতদূর সমর্থ হয়েছি, তা বিচার করতে আমরা অপারগ। সেই মহৎ বিচারের দায়ভার এলাকার শিক্ষানুরাগী সুধীজনের হাতেই তুলে দিলাম। দু বছরের করোনা অতিমারির সংকট কাটিয়ে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ চক্র আবার শিক্ষার্থীদের কলতানে মুখরিত হয়ে উঠেছে এ আমাদের কাছে পরম পাওয়া। প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের নৈতিক ও মূল্যবোধের শিক্ষায় দীক্ষিত করে, সাম্য-ঐক্য ও মহামিলনের মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ করে সত্যের পথে, আলোর অভিমুখে নিরলস যাত্রার মাধ্যমে বিদ্যায়তনটিকে এক মহৎ আদর্শের পীঠস্থানরূপে যেন গড়ে তুলতে পারি নব শিক্ষাবর্ষে এই হোক আমাদের উজ্জ্বলতম অঙ্গীকার।
নমস্কারান্তে,
নেভি ব্লু জমিনের মাঝে সাদা রঙের স্বস্তিকা চিহ্ন সহ লাল উদীয়মান সূর্য।
আকৃতি: আয়তক্ষেত্রাকার, অনুপাত: ৩:২
পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণি: সাদা জামা, সাদা প্যান্ট, সাদা মোজা, মেরুন টাই, কালো সু, কালো বেল্ট, শীতকালে লাল সোয়েটার। (পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত হাফ প্যান্ট এবং অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সকলকে ফুল প্যান্ট পরে আসতে হবে। শীতকালে পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্ররাও ফুল সর্বোপরি প্যান্ট পরতে পারবে।)
শারীর শিক্ষার দিন: সাদা কেড্স, সাদা ফিতে ও নির্দিষ্ট হাউসের টি শার্ট, সাদা জামা, সাদা প্যান্ট, সাদা মোজা, কালো জুতো, কালো বেল্ট, শীতকালে নীল সোয়েটার।
একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (বাংলা মাধ্যম): সাদা জামা, সাদা প্যান্ট, সাদা মোজা, কালো জুতো, কালো বেল্ট, শীতকালে নীল সোয়েটার। টাই - নেভি ব্লু টাই ও লাল বা মেরুণ স্ট্রাইপ।
একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (ইংরেজি মাধ্যম): সাদা জামা, সাদা প্যান্ট, সাদা মোজা, কালো জুতো, কালো বেল্ট, শীতকালে নীল সোয়েটার। টাই - নেভি ব্লু টাই ও সাদা স্ট্রাইপ।
* পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের পঃ বঃ সরকার নির্ধারিত পোষাকও চলবে।
অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত: সাদা স্কার্ট-ব্লাউজ, কোমরে লাল কোমর বন্ধ, সাদা মোজা, কালো নিউকাট সু, লাল ফিতা, লাল টাই, সকলের জন্য শীতকালে লাল সোয়েটার, শারীর শিক্ষার দিন সাদা কেড্স ও সাদা ফিতা এবং নির্দিষ্ট হাউসের টি শার্ট।
নবম শ্রেণি থেকে: সাদা চুড়িদার: জামার গলায়, হাতায়, সামনে ও পিছনের প্রান্তভাগে লালচেকের বর্ডার, প্যান্টের পায়ের কাছে লাল চেকের বর্ডার, লাল চেকের ওড়না; কালো নিউকাট সু, লাল ফিতা, শীতকালে লাল সোয়েটার। শারীর শিক্ষার দিন পরতে হবে সাদা চুড়িদার, সাদা ওড়না, সাদা মোজা, সাদা কেড্স ও সাদা ফিতা।
একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি: সাদা চুড়িদার: জামার গলায়, হাতায়, সামনে ও পিছনের প্রান্তভাগে নীলচেকের বর্ডার, প্যান্টের পায়ের কাছে নীল চেকের বর্ডার, নীলচেকের ওড়না; কালো নিউকাট সু, শীতকালে নীল সোয়েটার। শারীর শিক্ষার দিন পরতে সাদা চুড়িদার, সাদা ওড়না, সাদা মোজা, সাদা কেড্স ও সাদা ফিতা।
* পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের পঃ বঃ সরকার নির্ধারিত পোষাকও চলবে।
সভাপতি: শ্রী সন্দীপ নস্কর
সম্পাদক: ড. আশিস কুমার ঘোষ
সভ্য (শিক্ষানুরাগী): শ্রীমতি শ্রীতমা সাহা, শ্রী বিশ্বজিৎ ঘোষ
সভ্য (সরকারী আধিকারিক): শ্রী শৈলেশ পাল (অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক, সোনারপুর সার্কেল)
সভ্য (চিকিৎসক): BMOH, সুভাষগ্রাম
অভিভাবক প্রতিনিধি: (২ জন)
শিক্ষক প্রতিনিধি: শ্রীমতি স্মৃতিকণা মুখার্জী, শ্রী প্রণব কুমার মণ্ডল, শ্রী প্রবীর কুমার নস্কর
শিক্ষাকর্মী প্রতিনিধি: শ্রী সঞ্জীত কুমার দাস
সভাপতি: শ্রী সন্দীপ নস্কর
সম্পাদক: ড. আশিস কুমার ঘোষ
সদস্য: শ্রী প্রবীর কুমার নস্কর
সভাপতি: ড. আশিস কুমার ঘোষ
সম্পাদক: শ্রী সুখদেব মন্ডল
সভাপতি: ড. আশিস কুমার ঘোষ
সম্পাদক: শ্রী বিশ্বজিৎ হালদার
সদস্য / সদস্যা: শ্রীমতি শুভ্রা চক্রবর্তী, শ্রী প্রবীর কুমার নস্কর, শ্রী স্নেহাশিস ঘোষ
সভাপতি: ড. আশিস কুমার ঘোষ
সম্পাদক: শ্রী প্রণব কুমার মন্ডল
সদস্য/সদস্যা: শ্রীমতি মমতা সাউ, শ্রী বিশ্বনাথ গায়েন, শ্রী সৌরভ কাশ্যপ, শ্রী বিকাশ মন্ডল, সমরজিৎ সরকার, শ্রী শুভঙ্কর করণ, শ্রী চন্দন দাস
উদ্দেশ্য: সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত ছাত্র-ছাত্রীদের বিশেষ সহায়তা
নোডাল শিক্ষক: মহঃ আমিনুর মোল্লা ও সেলিম ইসলাম
নোডাল শিক্ষিকা: পৃথা বিশ্বাস, পিউ দাস
সদস্যা: সুজাতা বাউলিয়া, পিংকি হাঁসদা, লক্ষ্মী পাল
নোডাল শিক্ষিকা: নীলিমা ভূঁইয়া
সদস্য/সদস্যা: স্মৃতিকণা মুখার্জী, তনুশ্রী ঘোষ, নিমাই চন্দ্র মণ্ডল, মৌমিতা দে, স্বাতী দাস, প্রদীপ্ত ঘোষ, প্রদীপ বর্মন, সঞ্জীত দাস, ধরণী মাহাতো
উদ্দেশ্য: বিদ্যালয়ে সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলা
সদস্য/সদস্যা: স্বপন কুমার মণ্ডল, সৌগত ঘোষ, সাহানা চ্যাটার্জী, কাবেরী সাহা, স্বাগতা দাস, অমিত চৌধুরী, শুভজিৎ মণ্ডল, বৈশালী রায়
নোডাল শিক্ষক: চন্দন দাস
সদস্য/সদস্যা: প্রভাস গিরি, দেবাশিস গিরি, প্রদীপ বর্মন, অর্ঘ্য কর
উদ্দেশ্য: পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও সবুজায়ণ
নোডাল শিক্ষক: শুভজিৎ মন্ডল
সদস্য/সদস্যা: বৈশালী রায়, মন্দিরা মাহাতো, জয়ন্ত মন্ডল, বিশ্বজিৎ মিশ্র, সঞ্জীব হালদার
উদ্দেশ্য: বিজ্ঞান চেতনার প্রসার
নোডাল শিক্ষক: সেক আনোয়ার
সদস্য/সদস্যা: সুব্রত কুমার প্রামাণিক, সুজিত চ্যাটার্জী
চেয়ারম্যান: ড. আশিস কুমার ঘোষ
সভাপতি: শ্রী সন্দীপ নস্কর
নোডাল শিক্ষিকা: চৈতালী বর্মন
সদস্য/সদস্যা: নীলিমা ভূঁইয়া, সুখদেব মণ্ডল, সুব্রত কুমার প্রামাণিক
সভাপতি: শ্রী সন্দীপ নস্কর
সম্পাদক: ড. আশিস কুমার ঘোষ
সদস্য: সীমা সরকার, আই.সি (সোনারপুর থানা), ২ অভিভাবক প্রতিনিধি, সঙ্গীতা রায় সরকার, অলোক কুমার পাইক
NCC ইউনিট: সৌরভ কাশ্যপ
শিশু সংসদ চেয়ারম্যান: ড. আশিস কুমার ঘোষ
শিশু সংসদ সম্পাদক: সুখদেব মন্ডল
নোডাল শিক্ষক: সৌগত ঘোষ
সদস্য/সদস্যা: সমরজিৎ সরকার, দীপশেখর ব্যানার্জী, কাবেরী সাহা
নোডাল শিক্ষিকা: সাহানা চ্যাটার্জী
সদস্য/সদস্যা: মালবিকা ঘোষ, বৈশালী রায়, অর্ঘ্য কর
নোডাল শিক্ষক: স্বপন কুমার মণ্ডল
সদস্য/সদস্যা: শুভজিৎ মণ্ডল, সুজিত চ্যাটার্জী, মমতা সাউ
নোডাল শিক্ষক: অমিত চৌধুরী
সদস্য/সদস্যা: স্বাগতা দাস, শুভ্রনীল চক্রবর্তী, দিব্যেন্দু রায়